
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসানের অপসারণ দাবি করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের শামসুদ্দীন মোল্লা মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জুলফিকার হোসেন জুয়েল অভিযোগ করেন, কোতোয়ালি থানার ওসি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছেন না এবং একটি বিশেষ পক্ষকে সুবিধা দিচ্ছেন। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত ওসিকে প্রত্যাহার না করা হলে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিএনপি নেতা দাবি করেন, বুধবার বিকেলে শহরের জনতা ব্যাংক মোড় এলাকায় তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে একদল যুবক হামলা চালায়। এ সময় তার অনুসারী আরিয়ান খান শিহাব আহত হন। ঘটনার পরপরই তিনি কোতোয়ালি থানার ওসিকে ফোন করে পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আফ্রিদী নামের এক যুবককে তার সমর্থকেরা আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়, যা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, বিএনপি নেতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
ওসির দাবি, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়; ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আহত আরিয়ান খানের সঙ্গে পূর্বের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই এ মারামারির সূত্রপাত।
তিনি আরও বলেন, কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে মতামত বা প্রত্যাহারের দাবি জানানো নাগরিকদের অধিকার। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
মন্তব্য করুন