

নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক আজকের সকালের কন্ঠ
ফরিদপুরের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক খবর এসেছে। সরকার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ফরিদপুরের কৃতী সন্তান শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপিকে মনোনীত করেছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। গত ১৫ জুন প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপনে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃত্বে শামা ওবায়েদ ইসলামকে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনরত শামা ওবায়েদ ইসলাম জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো স্বাস্থ্যখাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অধিকতর সমন্বয়, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তাঁকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে হাসপাতালের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেলার সর্ববৃহৎ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। প্রতিদিন অসংখ্য রোগী এখানে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। তাই হাসপাতালটির সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, শামা ওবায়েদ ইসলামের দক্ষ নেতৃত্ব ও দূরদর্শী পরিকল্পনার ফলে হাসপাতালের বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও সহজতর হবে।
ফরিদপুরবাসীর প্রত্যাশা, নতুন এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে শামা ওবায়েদ ইসলাম জেলার স্বাস্থ্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে কার্যকর অবদান রাখবেন। তাঁর এই মনোনয়ন নিঃসন্দেহে ফরিদপুরের জন্য গর্বের এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের পথে একটি ইতিবাচক অগ্রযাত্রার সূচনা।
মন্তব্য করুন